পা গেছে তাতে কষ্ট নাই, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত চাই ভাই

জাহিদুল ইসলাম, নাটোর ১৯/১০/২০২১ ৯.০০ এএম
নাটোরের গুরদাসপুর উপজেলার ৬ নং চাপিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আলাল উদ্দীন। পান্জ্ঞাবি ও পায়জামা পড়ে নিজ ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াত করেন। ইউনিয়নের কাজ শেষে ফেরার পথে সাহি বাজারে চা পানের জন্য বসেন। চা পানের পাশাপাশি মানুষ জনের সাথে মন খুলে কথা বলেন। হাসি মাখা মুখের মানুষটি অন্যের মুখের ও হাসি ফুটান সর্বদায়।গতকাল বিডিনিউজ অনলাইনের সম্পাদকের সাথে তাঁর পরিচয় হয় সাহি বাজারে। চা পানের পর সম্পাদক কে একাকি ডেকে নিজের জীবন ও রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। ছাত্র জীবনে ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন মো: আলাল উদ্দীন। নিজ এলাকার ছাত্রলীগের সম্পাদক ছিলেন। ২০১০ সালের ১৯ এপ্রিল বড়াইগ্রাম-গুরদাসপুর এর সংসদ সদস্য মো: আব্দুল কুদ্দুসের সম্মেলন হতে ফেরার পথে মোটর সাইকেল হতে পরে যান। সেই সময় ট্রাক এক পায়ের উপর দিয়ে যাওয়ার ফলে এক পা হারান।সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুসের সহযোগিতায় রাজশাহী মেডিকেল হতে চিকিতসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেন। ২০১৩ সালে ৬নং চাপীলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন ব্যালটের মাধ্যমে। ২০১৬ সালের ৪ জুন নৌকা প্রতীক নিয়ে চাপীলা ইউনিয়নে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান হন। ১ ছেলে, ২মিয়ে ও স্ত্রী নিয়ে তাঁর পরিবার। ছেলে কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, বড় মিয়ে নবম শ্রেণীতে ও ছোট মিয়ে প্রথম শ্রেণীতে পড়ে। তাঁর স্ত্রী গৃহিনী। বাড়ির কাজের পাশাপাশি তাঁকে সর্বদায় সহযোগিতা করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর প্রিয় ব্যাক্তিত্ব। কথায় কথায় এক সময় বলেই ফেললেন- পা গেছে তাতে কষ্ট নাই, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত চাই ভাই।